123 Main Street, New York, NY 10001

দু-পায়ে মানুষ গুলো উড়তে শিখেছে ভূমির উপর কুমির! ফ্লোরিন উজাড় করে বস্তি, ঘরবাড়ি, দালান-কোঠা কিংবা মায়ের স্তন কামড়ে ধরা নব্য

একদিন সব ঠিক হবে এই রাজনৈতিক অস্থিরতা ফ্যাসিবাদ কায়েম করা প্রশাসন গণভবনে যে রাক্ষসী রক্ত খেত জনগণের সেই পেশিহীন কঙ্কাল
ফারুক ফরায়েজি: একজন বাংলাদেশী লেখক ও কবি। কুড়িগ্রাম জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই লেখালিখির প্রতি আগ্রহ তার সাহিত্যচর্চার প্রাথমিক ভিত্তি গড়ে তোলে। তিনি কবিতা, প্রবন্ধ ও সমসাময়িক বিষয়ভিত্তিক লেখার মাধ্যমে পাঠকমহলে পরিচিত।

দু-পায়ে মানুষ গুলো উড়তে শিখেছে ভূমির উপর কুমির! ফ্লোরিন উজাড় করে বস্তি, ঘরবাড়ি, দালান-কোঠা কিংবা মায়ের স্তন কামড়ে ধরা নব্য ভূমিষ্ঠ শিশু। অবাক বিশ্ব তাকিয়ে

একদিন সব ঠিক হবে এই রাজনৈতিক অস্থিরতা ফ্যাসিবাদ কায়েম করা প্রশাসন গণভবনে যে রাক্ষসী রক্ত খেত জনগণের সেই পেশিহীন কঙ্কাল প্রতিবাদ করবে। একদিন সব ঠিক

জীবন্ত অন্ধকারে সব স্বপ্ন সব আশা পুষে রাখি স্মৃতির আড়ালে ভালবাসার কথা শব্দের ছায়ায়। এলোমেলো জীবন জরাজীর্ণ পাখির বাসার মত একাকীত্ব: সে যে অষ্টধাতুর বেড়ি;

ভেসে যায় মন- উদ্দেশ্যহীন পথে জলের স্রোতে অলস কোনো দক্ষিণা হাওয়ায়। নিরুদ্দেশ নৌকার দিশাহীন পাল তোলা ডানায়, তোমার শরীরের চেনা গন্ধের নগরী ছেড়ে, অচিন কোন

দূর্গম পথ পেরিয়ে; হাজার বছর পৃথিবীর পথে চেনা ঠিকানায় এসে দেখি তুমি কোথাও নেই। জীবনের ভুল ভ্রান্তি হিসাব কষতে কষতে আলো আঁধারের এ খেলায় হারিয়েছি

বুকের বা’পাশে চিনচিন শব্দে গোপন থাকুক ব্যথারা, চোখের কোণে হাজার বছর বয়ে বেরানো অশ্রুবিঁদুতে গোপন থাকুক ব্যথারা। ভালবাসার তর্ক বিতর্কে কথার স্ফুলিঙ্গে ভঙ্গুর রেশমি আঘাতে

বলো বাবা আর কত দিন করবে তুমি কাজ, প্রখর রোদে শরীর পুড়ে ফেলবে গায়ে ভাঁজ?

সবাই বলে দেশের জন্যে দিতে পারে প্রাণ। দেশটা যখন রসাতলে রাখছে না কেউ মান। দেশটা

অন্ধকারে থাকুক পৃথিবী— যুদ্ধ হোক গোটা ইউরোপ জুড়ে; সঙ্গম যুদ্ধ কামান থেকে বেরোনো রক্তবীজ ষোড়শী

তুমি চলে যাওয়ার পর সুপ্ত ভালবাসাটুকু আমার এই শরীর নিয়েছে তোমার গরম নিশ্বাসে উত্তপ্ত পৃথিবী